খুলনা বিভাগের ৫ শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান

খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত পাঁচ শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আজ রবিবার দুপুরে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক দফতর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 
খুলনা বিভাগের ২০১৭-১৮ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিতরা হলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ক্যাটাগরিতে তানজিমা জেসমিন, সাতক্ষীরা; শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারীতে শায়লা ইয়াসমিন, যশোর; সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. রাহেলা খাতুন, কুষ্টিয়া; নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করেছেন যে নারী মোছা. জাহিদা খাতুন, যশোর এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী  ছাকেরা বানু, খুলনা।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, নারীদের আরো উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী, তাদের উন্নয়ন ব্যতীত দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারীকে সম্মান করলে সমাজে কোনো অসঙ্গতি থাকবে না। বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে। 
 
তিনি বলেন, সব দফতরে নারীদের নিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশেষ করে সমাজ পরিবর্তন ও দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার জন্য তিনি অভিভাববদের প্রতি আহ্বান জানান। 
 
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ইসরাত জাহান এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা মহানগর ইউনিটের কমান্ডার অধ্যাপক মো. আলমগীর কবির। 
 
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির এবং শ্রেষ্ঠ জয়িতা ছাকেরা বানু। স্বাগত জানান, খুলনা জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। 
 
উল্লেখ্য, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার প্রায় ৫০জন জয়িতা অংশগ্রহণ করেন। জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ ২০১৩ সাল থেকে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। 
 
ইত্তেফাক/কেকে