জিসিবি আদর্শ কলেজ চতুর্থ বারের মত উপজেলার সেরা

যশোরের চৌগাছায় ১১টি কলেজের মধ্যে জিসিবি আদর্শ  কলেজ ফলাফলে আবারও উপজেলার মধ্যে সেরা কলেজ নির্বাচিত হয়েছে। কলেজটি ফলাফলের দিক থেকে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছে। ফলাফলের দিক থেকে পরপর চারবার উপজেলার সেরা কলেজ নির্বাচিত হয়েছে।

এ কলেজ থেকে এবার ৮৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৮৫ জনই পাশ করেছে। এ প্লাস পেয়েছে ৩ জন। পশের হার ১০০ শতাংশ।

অন্যদিকে চৌগাছা সরকারি ডিগ্রী কলেজ থেকে ৩৬০  অংশগ্রহনকারী  পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৮৭ জন। এ প্লাস পেয়েছে ২ জন। পাশের হার ৫১.৯৪ শতাংশ। চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ২৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৪৬ জন। এ প্লাস পেয়েছে ৬ জন। পাশের হার ৬৩.২০ শতাংশ। সলুয়া আদর্শ কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ১৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬৯ জন। পাশের হার ৪০.৮২ শতাংশ।

এবিসিডি ডিগ্রী কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ৪৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩৮৯ জন। এ প্লাস পেয়েছে ৫ জন। পাশের হার ৮৪ শতাংশ। পাশাপোল আমজামতলা কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ১২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৮১ জন। এ প্লাস পেয়েছে ১ জন। পাশের হার  ৬৩.৭৮ শতাংশ। এসএম হাবিবুর রহমান পৌর কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ২৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১২৫ জন। পাশের হার ৪৮.৮২ শতাংশ। তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ১২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬৯ জন। এ প্লাস পেয়েছে ২ জন। পাশের হার ৫৪.৩৩ শতাংশ। হাকিমপুর মহিলা কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২৭ জন। পাশের হার ৬৭.৫০ শতাংশ। জেএমএসকে কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৪ জন। পাশের হার ১৬ শতাংশ। মাড়ুয়া ইউসুফ আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ থেকে অংশ গ্রহনকারী ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২১ জন। এছাড়া উপজেলার কামিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহনকারী  ৪৬ জন পরীক্ষার্থী মধ্যে পাশ করেছে ২৮ জন পাশের হার ৬০.৮৬ শতাংশ। সিংহঝুলি আলীম মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহনকারী ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২০ জন। পাশের হার ৭৬.৯২ শতাংশ। ডিএমসিইউ অলিম মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহনকারী ১৯ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৯ জন। পাশের হার ৪৭.৩৬ শতাংশ।

ইত্তেফাক/নূহু