ভুল চিকিৎসায় স্কুলছাত্র মারা যাওয়ার অভিযোগে একটি অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল অভিযান চালিয়ে শহরের শেরপুর রোডে অবস্থিত ডলফিন ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেন। এসময় ক্লিনিকের মালিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন থেকে ওই ক্লিনিকটি অনুমোদন ছাড়া এবং অবৈধভাবে পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে জানা যায়।
গত বুধবার শহরের ফুলদীঘি পূর্বপাড়ার আব্দুল আজিজ লিটনের ছেলে এবং শহরের ফয়জুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সাকিব হাসানের পেটে ব্যথা অনুভব হলে তাকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অ্যাপেন্ডিসাইটিস ধরা পড়লে রাত ৮টার দিকে সাকিবকে অস্ত্রোপচার করা হয়। অপারেশন থিয়েটার থেকে সাকিবকে রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বের করা হয়। দীর্ঘসময় অজ্ঞান থাকার পর অন্য একটি ক্লিনিকে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল আজিজ লিটন ও তার স্ত্রী পান্না আকতার অভিযোগ করে বলেন, ভুল চিকিৎসার কারণেই সাকিবের মৃত্যু হয়েছে। পলাতক থাকায় ক্লিনিকের মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. সামছুল হক জানান, ক্লিনিকটির কোনো ধরনের অনুমোদন নেই। দীর্ঘদিন ধরে ক্লিনিকটি অবৈধভাবে পরচিালনা করা হচ্ছিল। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেন। এ ব্যাপারে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি