যেখানে গ্রেফতার সেখানেই প্রতিরোধ: আমির খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সিলেটে নেতাকর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদে যেভাবে থানা ঘেরাও করা হয়, একইভাবে সব জায়গায় অন্যায়ভাবে নেতাকর্মী গ্রেফতার হলেই থানা ঘেরাও করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের ঘেরাও করতে হবে। পুলিশের অতি উৎসাহী সদস্যদের তালিকা করে প্রকাশ করতে হবে। এভাবে সব জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এভাবে আওয়ামী লীগের প্রকল্প ভেস্তে দিতে হবে।
 
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত ‘তিন সিটি নির্বাচনে গ্রেফতার আতঙ্ক, সেনা মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তা এবং জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
 
আমির খসরু বলেন, সরকার একটি নির্বাচন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্প হলো জনগণকে বাইরে রেখে নির্বাচন করা। নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে পুলিশ, র‌্যাব ও নির্বাহী বিভাগ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আর আওয়ামী লীগ তাদের সহযোগিতা করছে মাত্র। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে বিএনপিকে এর বিরুদ্ধে প্রকল্প নিতে হবে।
 
আমির খসরু বলেন, সিলেটে ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার উঠেছে। সেখানে নির্বাচনী আইন লংঘনের হিড়িক চলছে। কোন সরকারি সংস্থার কর্মকর্তা জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে টিকে থাকতে পারবে না। আমির খসরু বলেন, বিজিপির কাজ দেশের সীমান্ত পাহারা দেয়া। ভোটের মাঠে তাদের থাকার প্রয়োজন নেই। এ কাজে একমাত্র সেনাবাহিনীই উপযুক্ত। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করাই আজ ‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়াকে জেলে থাকতে হচ্ছে। তাকে মুক্ত করেই আমরা নির্বাচনে যাব।
 
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা সরকারের পতন ত্বরান্বিত করবে বলে মন্তব্য করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতার ওপর হামলা। এ হামলা ন্যাক্যারজনক। কোন সভ্য মানুষ এ হামলা সমর্থন করতে পারে না।
 
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির আমান উল্লাহ আমান, ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, লেবারপার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, কল্যাণ পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান প্রমুখ।
 
ইত্তেফাক/এমআই