সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী ধর্ষণ করেছেন বলে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এখন পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষা করছে।
কোতোয়ালি থানার এসআই আকবর ভুঁইয়া জানান, হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ওই স্কুলছাত্রীকে পরীক্ষা করা হলে যে রিপোর্ট এসেছে তা পজেটিভ।
গত ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে ওই স্কুলছাত্রী ধর্ষিত হওয়ার অভিযোগ উঠলে ওসমানী হাসপতাল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ডা. এনকে সিনহাকে আহ্বায়ক করে ১৭ জুলাই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. দেবপদ রায় জানান, মঙ্গলবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মাহবুবুল হকের কাছে লিখিত আবেদনে কমিটির সদস্যরা আরো ১৫দিন সময় চান।
কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাহী কারাগারে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলতে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
গত ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে অসুস্থ নানির সঙ্গে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডে ছিল ওই স্কুলছাত্রী। গভীর রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ওই কিশোরীকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী। পরদিন সকালে কিশোরীর তার স্বজনদের বিষয়টি জানালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৬ জুলাই উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন।
মাহী ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাহীর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। মাহী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বসিন্দা।
ইত্তেফাক/আরকেজি