কুয়েত শান্তি রক্ষা মিশনে মৃত্যুবরণকারী সেনা সদস্য মোঃ ইসমাইল হোসেনের (৩৩) লাশ বুধবার বিকালে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় দফা জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে গভীর রাতে বিমানবন্দর থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের একটি চৌকস দল এবং পরিবারের লোকজন গ্রহণ করে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকায় ক্যান্টনমেন্টে প্রথম যানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানাজায় সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ তার সহকর্মীরা অংশ নেন।
এরপর সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসের একজন ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে একটি অগ্রবর্তী দল নোয়াখালীর সেনবাগের বীজবাগ ইউপির বালিয়াকান্দি গ্রামের ইসমাইলের বাড়িতে আসেন। দুপুরে ঢাকা থেকে সেনাবাহিনীর একটি এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে লাশ নিয়ে এলে পরিবার ও স্বজনদের আহাজারীতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। এরপর বিকেল ৫টায় দ্বিতীয় যানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। যানাজায় বিভিন্নস্তরের কয়েক শত লোককজন অংশগ্রহণ করেন।
IMG0
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই ভোর ৫টায় কর্মস্থল কুয়েত শান্তি রক্ষা মিশনে হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে সেনা সদস্য মো. ইসমাইল হোসেন ইন্তেকাল করেন। সে ওই গ্রামের তোফায়েল আহম্মদের পুত্র। মৃত্যুকালে পিতা, মাতা, স্ত্রী ৩ ভাই, ২ বোন ও ৬ বছর বয়সী আরশী এবং একমাস বয়সের পুত্র সন্তান রেখে যান।
ইত্তেফাক/নূহু