৩৭টি চালকলের মধ্যে ৩২টি বন্ধ

রৌমারী উপজেলায় চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমন মৌসুমে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার দুপুর একটায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নে মেসার্স মোহাম্মদ আলী চালকল, মেসার্স ইসলাম চালকল, মেসার্স সৌরভ চালকল, মেসার্স সোহেল চালকল, মেসার্স রবিউল চালকল, মেসার্স শান্ত চালকল, মেসার্স সজিব চালকল, মেসার্স ভাই ভাই চালকল, মেসার্স মিনা চালকল, মেসার্স লাবিব চালকল, মেসার্স তুষার চালকল, মেসার্স এম আর চালকল, মেসার্স বিন্দু চালকল, শৌলমারী ইউনিয়নের মেসার্স জাবেদ চালকল, মেসার্স এস এস চালকল, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের মেসার্স ভাই ভাই চালকল, মেসার্স হক চালকল, মেসার্স ভাই ভাই চালকল ও মালিক সমিতির সভাপতির চালকলসহ ৩২টি চালকল বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে কর্তিমারীর মা চালকল ও রাসেল হাংকি মিল, প্রো. লিয়াকত আলী, হাসনাত চালকল প্রো. হাসিনা খাতুনসহ পাঁচটি চালকল চালু রয়েছে।

চলমান চালকল মালিকরা বলেন, আমরা কষ্ট করে চাল তৈরি করে খাদ্য গুদামে দিচ্ছি। অথচ পরিত্যক্ত চালকল মালিকরা চাল তৈরি না করেই অনিয়মিতভাবে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশ করে বাইরে থেকে চাল কিনে গুদামজাত করছে। ফলে কৃষককুল যেমন সরকারের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শিকদার বলেন, এ ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি কোনো তথ্য দিতে পারবো না।

চাল সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপঙ্কর রায় বলেন, চালকলগুলো বন্ধ থাকার বিষয়ে আমার জানা নেই। সরেজমিনে পরিদর্শন করে বন্ধ চালকলগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।