ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে গায়ানায় ১৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় শনিবার তৃতীয় ম্যাচেও সেঞ্চুরি করলেন এই মারকুটে ওপেনার। এদিন ১২৪ বল থেকে সাতটি চার ও দুটি ছক্কার মারে তামিম করেন ১০৩ রান। দলীয় ২০০ রানে আউট হন তিনি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পঞ্চম উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফির জুটিতে ৪৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ চার উইকেটে ২৩১ রান।
মাত্র ৩৫ রানে এনামুল হক বিজয় আউট হওয়ার পর তামিম ইকবালের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধেছিলেন। খেলছিলেন দুর্দান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে এ দুজন করেছিলেন ৮১ রানের দারুণ এক জুটি। সেই সুবাদে মন্থর সূচনা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ২৫ ওভারে ১১ রান করে বড় স্কোরের আভাস দিচ্ছিল। ঠিক এমন সময়েই ২৬তম ওভারে হতাশ করলেন সাকিব। দলীয় ১১৬ রানে নার্সের বলে পলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে গেলেন সাজঘরে। আউট হওয়ার আগে ৪৪ বল থেকে তিনটি চারের মারে করেছেন ৩৭ রান।
সাকিব আউট হওয়ার পর তামিমের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন মুশফিকুর রহিম। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে ৩৬ রান যোগ করেন। এরপর ১২ রান করে মুশফিক আউট হয়ে যান। পরে তামিমের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে জুটি বাঁধেন মাহমুদউল্লাহ। তিনজন সঙ্গী একপাশ থেকে বিদায় নিলেও সেঞ্চুরি করেই তবে মাঠ ছেড়েছেন তামিম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেতেও তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে হাফসেঞ্চুরি ও দ্বিতীয়টিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। এবার তৃতীয়টিতেও সেঞ্চুরি আসল তামিমের ব্যাট থেকে।
শনিবার সন্ধ্যায় বাস্তারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সে অনুযায়ী তামিম ও বিজয় বাংলাদেশের পক্ষে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে মাঠে নামেন। ওপেনিং জুটিতে এ দুজন সতর্ক সূচনা করেও বেশিদূর যেতে পারেননি। দশম ওভারের তৃতীয় বলে এসে দলীয় ৩৫ রানে আউট হয়ে যান বিজয়। হোল্ডারের বলে আউট হওয়ার আগে ৩১ বল থেকে মাত্র ১০ রান করেছেন তিনি। এরপর তামিম-সাকিব জুটি বাঁধেন।
তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের একটি করে জিতেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সফরকারী বাংলাদেশ। তাই আজকের এই ম্যাচে যে দল জিতবে সিরিজ যাবে তাদের ঘরেই। চলতি সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।
ইত্তেফাক/কেআই