আশুগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রুহুল আমিন (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে সোমবার বিকালে তাকে উপজেলার গোলচত্বর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। রহুল আমিন পেশায় অটোরিকশা চালক এবং উপজেলার চরচারতলা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার কামাউড়া স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী আশুগঞ্জ বাজারে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়তে আসতেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে বখাটে অটোচালক রুহুল আমিন মেয়েটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে আশুগঞ্জ সারকারখানা হাউজিং এলাকায় কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেন।
রাত ১২টার দিকে স্থানীয় আলমনগর এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এসময় মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার সকালে তাকে নিয়ে রুহুল আমিন তার খালাত বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে বিকালে মেয়েটির কাছ থেকে তার বাবার নাম্বার নিয়ে ফোন করেন তিনি। খবর পেয়ে মেয়েটি পারিবারের লোকজনসহ অন্যরা ছুটে আসেন।
পরে আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় আসলে মেয়েটিকে রেখে রুহুল আমিন পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় মেয়েটি তার বাবাকে বিস্তারিত জানান। সঙ্গে সঙ্গে রুহুল আমিনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন তারা। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
রাতেই মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় রুহুল আমিনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার সকালে মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাশাপাশি ধর্ষক রুহুল আমিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বদরুল আলম তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি