২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ঝিকরগাছার সম্মিলনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভবন নির্মাণ

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। ঝিকরগাছার সম্মিলনী মহিলা ডিগ্রি কলেজটি তার মধ্যে অন্যতম। গত ৮ বছরে শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখে চলেছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।
 
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. আহসানুর রহমান বলেন, ধারাবাহিক এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সংসদ সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির মহোদয়ের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার ফলে।
 
তিনি আরো বলেন, অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়নে সংসদ সদস্যের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ৪ তলা ভবন নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ও অসামান্য অবদান রাখেন সাংসদ।
 
অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক এতো সভা-সমাবেশ অন্য কোনো আসনের সাংসদরা কতটুকু করতে পেরেছেন তা আমার জানা নেই। তিনি ‘মা সমাবেশ’, অভিভাবক সমাবেশসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে পরামর্শ ও বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে এসেছেন।
 
প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে অধ্যক্ষ জানান, ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৭ শতাংশ। যার মধ্যে ১২জন জিপিএ-৫ এবং ৮১জন এ গ্রেড পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। কপোতাক্ষ নদ বিধৌত ঝিকরগাছার পৌরসদর কৃষ্ণনগর এলাকায় এটি ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৯৩ জন।
 
প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে আহ্সানুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি গত ৮ বছরে ধারাবাহিকভাবে মেধাতালিকায় ঝিকরগাছার ১ম ও যশোরের সেরা ‘টপটেন’ তালিকায় স্থান ধরে রেখেছে। ২০১১ সাল থেকে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে মোট ১০টি ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিদায় দিয়েছেন এবং তারা ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেলসহ বিভিন্ন কোর্সে পড়াশুনা করছেন।
 
প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও নিয়মাবর্তীতার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি বা মাল্টিমিডিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ার মধ্যেদিয়ে ক্রমান্বয়ে ফেসবুক, হোয়াটস্অ্যাপ, ভাইবার, ইমুসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আসক্ত’ হয়ে পড়ছে। মাদক ও জঙ্গিবাদে যেন কোনো শিক্ষার্থী ঝুঁকে না পড়ে সে ব্যাপারে এই বিষয়ে আমার প্রতিষ্ঠানটি কড়া নজরদারির পাশাপাশি শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘শৃঙ্খলা ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ কমিটি’ গঠন করে নিয়মিত ‘মোবাইলকোর্ট’ পরিচালনার মাধ্যমে উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে ব্যাপক উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
 
ইত্তেফাক/আরকেজি