ঝিনাইগাতীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে সূর্যের হাসি ক্লিনিক নামে এক এনজিও’র মাঠ কর্মী নাইম (২০) এর বিরুদ্ধে। নাইম উপজেলার বালিয়া গাঁও গ্রামের খসরু মিয়ার ছেলে। গত বুধবার এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার ওই কিশোরী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে অভিভাবকরা তাকে দ্রুত উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামের বাসিন্দা যেদনী মডেল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের মাঠ কর্মী নাইম গত ৬ মাস ধরে তার সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে আসছিল। ঘটনার দিন নাইম, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে। এক পর্যায়ে নাইম ওই কিশোরীকে উপজেলা সদরের মহারশি নদীর ব্রীজের পূর্ব পাশে সূর্যের হাসি ক্লিনিকে এনে তাকে ধর্ষণ করে।
পরে ওই ক্লিনিকের ম্যানেজার নবিরুল ইসলামের সহায়তায় ওই কিশোরীকে বের করে দিয়ে তারা সটকে পরে।
সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ম্যানেজার নবিরুল ইসলাম ও কর্মী নাইম পলাতক আছে। এ ঘটনায় ঝিনাইগাতী থানায় একটি মামলার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/কেআই