কিশোরগঞ্জে কর্দমাক্ত রাস্তায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুশা গ্রামে সাত কিলোমিটার কর্দমাক্ত দুইটি রাস্তার জন্য ওই গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ র্দীঘদিন ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিভিন্ন সময় স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ওই রাস্তা দুটি পাকা করার প্রতিশ্রতি দিলেও কেউ তা বাস্তবায়ন করেনি।
 
গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মুশা গ্রামের পানাতিপাড়া থেকে কঞ্চনার বিল পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ও একই ওয়ার্ডের তালের দিঘী থেকে আফছার আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক একদম চলাচলের অনুপোযোগী।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, বর্তমান বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে একাকার হয়ে গেছে।  রাস্তাটিতে গাড়ি ঘোরা নিয়ে চলাচল করার কোন উপায় নেই। এ দুর্ভোগ লাঘবে কারো মাথা ব্যাথা নেই।
 
তিনি আরো বলেন, শুনেছি পানাতিপাড়া থেকে কঞ্চনার বিল পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন কর্মসূচি থেকে (টি আর প্রকল্প) অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু সে অর্থ দিয়ে তারা কি করল তা গ্রামবাসীর অজানা।
 
কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিছুল ইসলাম আনিছ বলেন, মুশা গ্রামের ওই রাস্তাদুটি চলাচলের একবারে অনুপযোগী। আমি চেয়ারম্যান নিবার্চিত হওয়ার পর তালের দিঘি থেকে আফছার আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে বলেছি। সেটি কোড হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত রাস্তাটি পাকা হবে। 
 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখারুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, পানাতিপাড়া থেকে কঞ্চনার বিল পর্যন্ত  রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এক লাখ ১১ হাজার ৩শ ৪ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সেই অর্থ অপ্রতুল।
 
কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী এসএম কেরামত আলী নান্নু বলেন, তালের দিঘি থেকে আফছার আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা করনের জন্য অলরেডি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/নূহু