প্রবীন সাংবাদিক আব্দুল মতিন ফকির আর নেই

ফরিদপুরের প্রবীন সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল মতিন ফকির (৭৮) আর নেই। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টায় ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। তিনি লিভার জটিলতা সংক্রান্ত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে, ১ মেয়ে, আত্মীয় স্বজন, সহকর্মীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
 
আব্দুল মতিন ফকিরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা ডায়াবেটিক হাসপাতালে ছুটে যান। এ সময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
 
প্রবীন সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ আব্দুল মতিন ফকির ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় জন্মগ্রহন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে সরকারি ইয়াছিন কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। আব্দুল মতিন ফকির এসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে ২০০৮ সালে অবসর গ্রহন করেন।
 
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি দৈনিক দি ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার ফরিদপুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।  মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এ পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি অত্যন্ত অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
 
ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে মরহুম অধ্যাপক আব্দুল মতিন ফকিরের জানাজা নামাযের পূর্বে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয় এবং পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ হাসান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মনির হোসেনসহ সকল সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
 
মরহুমের নামাযে জানাজা ফরিদপুরের চকবাজার জামে মসজিদে বাদ যোহর অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে আলীপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 
প্রবীন এ সাংবাদিকের মৃত্যুতে ফরিদপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছেন।
 
ইত্তেফাক/নূহু