ঈদুল আজহায় পশু জবাইয়ের জন্য ৩৪১টি স্থান নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এছাড়া দ্রুত সময়ে পশুবর্জ্য অপসারণে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সংস্থাটি।
রবিবার সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ করে ৪ লাখ ১০ হাজার লিফলেট ও ২০ হাজার ৫শ পোস্টার এবং ৭৬ হাজার ২৩১টি ব্যানার ওয়ার্ড পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচিত স্থানে পানি সরবরাহ, সেবা প্রার্থীর বসার স্থান, তাবু টাঙানো এবং ব্লিচিং পাউডারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরা এসব বিষয় তদারকি করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নির্ধারিত স্থান ছাড়া উন্মুক্ত স্থান বা সড়কে পশু জবাই করা যাবে না। তবে কেউ চাইলে তার বাড়ি বা বসার আঙিনায় পশু কোরবানি দিতে পারবে। ঈদের দিন ও পরদিন প্রতি ওয়ার্ডে টমটম আবর্জনাবাহী গাড়ি, পে-লোডার, ট্রাক্টর ওয়াগনসহ মোট ২৪১টি গাড়ি দায়িত্ব পালন করবে। আরো ১০টি গাড়ি দামপাড়া কন্ট্রোল রুমে রিজার্ভ থাকবে।
মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের বরাতে বলা হয়, ঈদের দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে জবাইকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণ এবং ঈদের পরের দিন শেষরাত পর্যন্ত বর্জ্য অপসারণের লক্ষে ৪১টি ওয়ার্ডকে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম জোনে ভাগ করা হয়েছে।
প্রত্যেক জোন তদারকির জন্য একটি করে ‘উপ-কমিটি’ ও ৪ সদস্য বিশিষ্ট ১টি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নিশ্চিত কল্পে কোরবানি ঈদের দিন সকল স্থায়ী-অস্থায়ী ৫ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মীর ছুটি বাতিল এবং ডোর টু ডোর পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি