শিমুলিয়ায় ফেরি চলাচল সীমিত, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নাব্যতার অভাবে সীমিত আকারে চলছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি সার্ভিস। এই বহরে ২১টি ফেরির মধ্যে চলছে এখন ৯টি ছোট ফেরি। দু’টি রো রোরসহ তিন ফেরি পাঠুরিয়ায় পাঠানো হয়েছে। আরও ৯টি ফেরি অলস বসে আছে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে যাত্রীরা। 
 
৯টি কে-টাইপ ফেরিগুলো দীর্ঘ পথ ঘুরে এ্যাম্বুলেন্সসহ হালকা ছোট গাড়িগুলো পারাপার করছে। তবে দু’পারে ৪শ’ পণ্যবাহী ট্রাক এখনও আটকা আছে। নাব্যতা সংকটের কারণে চারদিন ধরেই ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। 
 
মঙ্গলবার শিমুলিয়া ঘাটে আসন্ন ঈদে ঝরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন পারাপার নিয়ে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা হয়। এই সভায় নাব্যতা সঙ্কট নিরসন করতে না পারায় বিআইডব্লিউটিএকে দায়ী করা হয়। 
 
এদিকে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মঙ্গলবার সরেজমিন শিমুলিয়া আসেন এবং পদ্মার নাব্যতা পরিদর্শন করেন। বর্তমানে ৮টি ড্রেজার পদ্মার ফেরি চ্যানেলের গভীরতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে।
 
জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম, উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গনি তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমা, বিআইডব্লিউটিএ, নৌ পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন। 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ