সুন্দরগঞ্জে নদী ভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহারা

উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শত শত বসতবাড়ি আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। জানা গেছে, গত ১৫ দিন থেকে কাপাসিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। সেইসাথে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন।

ভাঙনে এ পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও শত শত হেক্টর আবাদি জমি ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে: কাপাসিয়া ইউনিয়নের পাগলাপাড়, টোনগ্রাম, খলিফাপাড়া, লাল চামার, কাজীপাড়া, ভাটি কাপাসিয়া, উজান বুড়াইল, ভাটি বুড়াইল। নদী ভাঙনের স্বীকার হয়েছে উজান বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটি কাপাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। নদী ভাঙন এলাকার শত শত মানুষজন ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাপত্র নিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।

অনেকে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। এদিকে বেলকা ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ ও কিশামত সদর মৌজা দুটি নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ায় তিন শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান জালালউদ্দিন আহম্মেদ ও চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান, এ পর্যন্ত কয়েকদফা নদী ভাঙনে ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেনি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তালিকা প্রণয়ন করে জেলা প্রশাসকের নিকট  প্রেরণ করা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু