ভিজিএফের চালে কারসাজি, চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে ভিজিএফের ৭৮ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে চালগুলো উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান সিদ্দিক। ভিজিএফের চাল কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
 
জানা গেছে, ঈদুল আযহা উপলক্ষে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে ৪ হাজার ১৫৯টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেয় সরকার। গত শনিবার সকালে প্রায় ২ শতাধিক কার্ডধারী চাল না পেয়ে ফিরে যান। এবং ওই দিন
 
বিকালে চাল না পাওয়ায় পরিষদের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় ওই এলাকায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আবু হাসান সিদ্দিক। অভিযান চালিয়ে উত্তর কামালপুর গ্রামের
 
মৃত কামাল শেখের ছেলে ব্যবসায়ী গোলাম মওলার বাড়ি থেকে ৪৮ বস্তা ও বালুগ্রাম এলাকার মজিবর রহমানের স্ত্রী আলেমা বেগমের পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৩০ বস্তা ভিজিএফের চাল উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় শনিবার রাতে কামালপুর ইউপি সচিব মফিজ দুলাল বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 
 
মামলায় কামালপুর ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক, ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, কামালপুর এলাকার মৃত মোনাজ উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী লালচান, মৃর্ধাপাড়া এলাকার ছবর আলীর ছেলে ফজলু মিয়া, উত্তর কামালপুর এলাকার মৃত কামাল শেখের ছেলে গোলাম মওলা ও হাজী নজরুল ইসলামের ছেলে ছোহরাব আলীকে আসামি করা হয়েছে। 
 
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারুক বলেন, চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল অসুস্থ থাকার কারণে আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি। ভিজিএফের চাল বিতরণে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি। কার্ডধারীরা চাল না পাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। 
 
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, ইউপি সচিব বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ