‘চলনবিল মৎস্য ও শষ্য ভাণ্ডার হিসেবে সমৃদ্ধ’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, চলনবিল মৎস্য ও শষ্য ভাণ্ডার হিসেবে সমৃদ্ধ। চলনবিল সিংড়া এলাকায় প্রতি বছরে ৮ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। সুস্থ-সবল ও মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় অর্থনীতিতে এ সম্ভাবনাময় সেক্টরের ভূমিকা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে।
 
রবিবার দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলা চত্বরে একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ শেষে এ কথা বলেন তিনি।
 
তিনি আরও বলেন, নদ-নদী,হাওর-বাওড় সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমান সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে দেশীয় মাছের প্রজাতি রক্ষায় বিভিন্ন নদ-নদী ও জলাশয় গুলোতে প্রজনন মৌসুমে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা, মাছের অভয়ারণ্য ঘোষণাসহ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
 
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সঙ্গে একাত্ম হয়ে এবারের জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ মাছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।’
 
২০১৮-১৯ আর্থিক সালের প্রতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে রুই জাতীয় পোনা অবমুক্তকরণের সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আবুবক্কর সিদ্দিক, বিভাগীয় উপ-পরিচালক রেজাউল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অলক কুমার সাহা, নলডাঙ্গা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন, সহকারী মৎস্য অফিসার জহুরুল ইসলাম প্রমুখ। 
 
উল্লেখ্য, সিংড়া উপজেলার ৮টি প্রতিষ্ঠান ও ডাহিয়া প্লাবনভূমিতে ৫৯২ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।
 
ইত্তেফাক/এমআই