আগামীকাল বুধবার পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। প্রতিবারের মতো এবারও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামায়াত কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন নগরীর কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ক্বারী মো. ইব্রাহীম।
এছাড়া কুমিল্লা নগরীর যেসব স্থানে ঈদের জামায়াত হবে তা হচ্ছে- মৌলভীপাড়া ঈদগাহ, ভাটাপাড়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদ, ভাটাপাড়া পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, রেইসকোর্স নূর মসজিদ, মোগলটুলী শাহসুজা মসজিদ, শুভপুর শাহী ঈদগাহ ময়দান, অশোকতলা জামে মসজিদ, টমছমব্রিজ ঈদগাহ, উত্তর চর্থা মিরসাঈদুর জামে মসজিদ, দক্ষিণ চর্থা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, দক্ষিণ চর্থা কবরস্থান মসজিদ, উত্তর আশ্রাফপুর জামে মসজিদ, টিক্কারচর কারবালা মাঠ, সংরাইশ পাক পাঞ্জাব জামে মসজিদ, নূরপুর গুধীরপুকুরপাড় জামে মসজিদ ঈদগাহ, দিশাবন্দ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, সদরগাজী জামে মসজিদ, পুরাতন পদুয়ার বাজার ঈদগাহ, কোটবাড়ি গন্ধমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ এবং চৌয়ারা বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টায় এসব স্থানে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, ‘কোরবানিদাতাদের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করতে হবে। এ বছর ইউনিয়ন পর্যায়েও এ নির্দেশ পালন করতে হবে। জবাই করার স্থানে ব্যানার টানাতে হবে।’ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু জানান, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় কোরবানিদাতাদের মাঝে ব্যাগ বিতরণ করা হবে, যাতে কোরবানির পশুর বর্জ্য সংরক্ষণ করা যায়। বর্জ্য অপসারণের জন্য বেলা ২টা থেকেই প্রতিটি ওয়ার্ডে গাড়ি ও পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োজিত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-উল-আযহার নামাজ আদায়ের জন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের দিন মুসল্লিরা যেন ওজু এবং পানি পান করতে পারেন সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে বৃষ্টি হলে এসব জামায়াতসংলগ্ন স্থানের নিকটস্থ মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ার বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে।’
ইত্তেফাক/আরকেজি