প্রধান শিক্ষক নেই নিকলীর ১২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

নিকলী উপজেলার ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকের শূন্যতার কারণে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদিয়ে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে করে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সমস্যা দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডেও।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলার ৫৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ সাত-আট বছর ধরে শূন্য রয়েছে। এ ছাড়াও ওই বিদ্যালয়গুলোতে ১০টি সহকারী শিক্ষকের পদও দীর্ঘ দিন ধরে শূন্য রয়েছে।

দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক সুখলা রাণী দাস জানান, তার বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষকের পদ থাকলেও আছেন চারজন। এর মধ্যে তাকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

গোড়াদীঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, আমার বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য প্রায় দশ বছর ধরে। এ কারণে ক্লাস রুটিনের নির্ধারিত ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়।

নিকলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, উপজেলা ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি ১০টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।