জেফ সেশনসের সঙ্গে বাকযুদ্ধে লিপ্ত ট্রাম্প

শীর্ষ আইন-প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বাকযুদ্ধে জড়িয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সর্বশেষ নিজের অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে দোষ দিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ট্রাম্প বলেছেন, সন্দেহভাজনদের বিচার করার ক্ষেত্রে ‘ভিন্ন নিয়ম’ অনুসরণ করে তার সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করেছেন সেশনস।
 
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার(এনএসএ) একজন সাবেক ঠিকাদার ‘গোপন তথ্য’ ফাঁস করার দায়ে ৬৩ মাসের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন। 
 
তিনি বলেন, হিলারি ক্লিন্টন যা করেছে, তার তুলনায় এটাতো ছোট আলুর সমান। খুবই অন্যায্য জেফ, ‘ডবল স্ট্যান্ডার্ড’। 
 
এরপর ট্রাম্প বেশ কয়েকটি বিষয়ের একটি তালিকা তৈরি করে সেশনসকে সেগুলো খতিয়ে দেখতে আহবান জানান। তিনি বলেন, কাগজ ও নথিপত্রগুলো কোন প্রকাশ সম্পাদনা ছাড়াই খুলে দেখ? চল জেফ, তুমি এটা করতে পারবে। দেশ অপেক্ষা করছে।      
 
অপর একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন যে, রাজনৈতিক বিবেচনায় অন্যায়ভাবে বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করা হবে না। কিন্তু এরপরই তিনি সেশনসকে ‘অপর পক্ষের’ সকল দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে চাপ দেন। 
 
বৃহস্পতিবার সেশনস তার কার্যালয়ের একাগ্রতার পক্ষে কথা বলেন। ট্রাম্পের সমালোচনার করা জবাব দিয়ে বলেন যে, তিনি (ট্রাম্প) বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। 
 
সেশনস বলেন, আমি শপথ নেওয়ার দিনই বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছি। আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকাকালীন সময়ে, বিচার বিভাগের কার্যক্রম অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক কারণে প্রভাবিত হবে না। 
 
এদিকে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বিচার বিভাগে দুর্নীতির দাবি করে বলেন, সেশনসকে এর জন্য দায়ী করা উচিৎ। তিনি বলেন, আমি একজন অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিয়েছি যে কিনা কখনো বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। 
 
ট্রাম্প তার সাবেক সহযোগী পল ম্যানাফোর্টের ব্যাংক জালিয়াতি, কর জালিয়াতিসহ আট অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরই এমন বিবৃতি দেন। - আল জাজিরা
 
ইত্তেফাক/ জেআর