হামলায় নিহত ৩৯ বিদেশি

 

এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ‘সন্ত্রাসী’ হামলার পর শোকের সাগরে ভাসছে শ্রীলঙ্কা।  শ্রীলঙ্কানদের পাশাপাশি ৩৯ বিদেশি হামলায় নিহত হয়েছে। যাদের মধ্যে যুক্তরাজ্য, ভারত, ডেনমার্ক, বাংলাদেশ, চীনসহ আরো কয়েকটি দেশের নাগরিকরা আছেন।

হামলার পর গুজব রোধে শ্রীলঙ্কা সরকার দেশটিতে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। যে কারণে হতাহতদের সম্পর্কে তেমন তথ্য এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। বিবিসি হামলায় নিহত কয়েকজনের পরিচয় জানতে পেরেছে।

শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় শাংরি লা হোটেলের শেফ শান্তা মায়াদুন্নে। হামলার পর রবিবার রাতে যে অল্প কয়েকজন নিহতের পরিচয় জানা গেছে তাদের একজন শান্তা। হামলার ঠিক কিছুক্ষণ আগে তার মেয়ে নিসানগা মায়াদুন্নে নিজের ফেসবুক একাউন্টে একটি পারিবারিক ছবি পোস্ট করেছিলেন।

ডেনিশ ধনকুবেরের তিন সন্তান:অনলাইন খুচরা পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান এএসওএস’র সবচেয়ে বড় অংশীদার এবং ক্লথিং চেইন ‘বেস্টসেলার’ এর মালিক ডেনমার্কের ধনকুবের অ্যান্ডারস হচ পভ্লসেনের তিন সন্তান শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় মারা গেছেন।

রাসিনা: ভারতের কেরালা রাজ্যের রাসিনা (যাকে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে রাজিনা বলা হয়েছে) স্বামীর সঙ্গে দুবাইয়ে বসবাস করেন। স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এ দম্পতি কলম্বো গিয়েছিলেন। রবিবার সকালে রাসিনার স্বামী দুবাই চলে যান। ৫৮ বছরের রাসিনার রাতের ফ্লাইটে কলম্বো ছাড়ার কথা ছিল। শাংরি লা হোটেল থেকে তিনি চেক-আউটও করেছিলেন। পরে তার এক স্বজন তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

ভারতের দুই রাজনীতিক: নিহতদের মধ্যে ভারতের কর্নাটকের দল জনতা দল পার্টির (জেডিপি) দুই সদস্য কে জি হনুমানথারাইয়াপ্পা ও এম রণগাপ্পা রয়েছেন।

আরো তিন ভারতীয়: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আরো তিন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তারা হলেন: লক্ষ্মী, নারায়ণ চন্দ্রশেখর ও রমেশ। নাম ছাড়া তাদের সম্পর্কে আর কিছু এখনো জানানো হয়নি।

তুরস্কের দুই প্রকৌশলী: নিহতদের মধ্যে তুরস্কের দুই নাগরিক আছেন বলে খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদলু।