লোহাগাড়ায় সহপাঠীর রডের আঘাতে সহপাঠী খুন

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর কলাউজান শাহ আমজাদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানার  ছাত্র মো: মিজান (১১) সহপাঠীর লোহার দণ্ডের আঘাতে নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত মিজান কলাউজান সিকদার পাড়ার মো: ইসহাকের পুত্র। সহপাঠী সাজেদ কচির থানা হেফাজতে রয়েছে। কচির বাংলা বাজার এলাকার মাওলানা আবদুর রহীমের পুত্র।

জানা গেছে, উক্ত প্রতিষ্ঠানের হেফজখানায় ৩৪ জন ছাত্র রয়েছে। ঘটনার দিন ফজরের নামাজ পড়ার জন্য সাজেদকে ঘুম থেকে তুলতে যায় মিজান। না উঠলে সাজেদের চোখে পানি ছুঁড়ে মারে। সাজেদ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘন্টা বাজানোর লোহাগাড়ার দণ্ড দিয়ে মিজানের মাথার বাম পাশে আঘাত করে। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাওলানা গোলাম রসুল কমরী মিজানকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। ঐ দিন চমেকে বেলা ১২টার দিকে সে মারা যায়।

প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন তার সহপাঠীর সঙ্গে আলাপচারিতায় তারা ঘন্টা বাজানোর লোহার দণ্ড দিয়ে আঘাত করার ঘটনার কথা বলেছে।

এ ব্যাপারে হেফজখানা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাওলানা গোলাম রসুল কমরী জানান, মিজানকে সহপাঠী সাজেদ ঘন্টা বাজানোর লোহাগাড়ার দণ্ড দিয়ে আঘাত করেছে বলে তিনি জেনেছেন। ফজরের নামাজ পড়তে ঘুম ওঠাকে কেন্দ্র করে রাগের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। লোহার দণ্ড দিয়ে কাছ থেকে নাকি দূর থেকে আঘাত করেছে তা তিনি দেখেন নি।

থানার এসআই মফিজুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে জেনেছেন হেফজখানার দুই শিক্ষার্থী সহপাঠীর মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘন্টা বাজানোর লোহার দণ্ড দিয়ে আঘাত করার কথা তিনি শুনেছেন। সাজেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয় বলে তিনি জানান।

ইত্তেফাক/নূহু