নগরীর ব্যস্ততম এলাকা জিন্দাবাজারে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার ঘটনার ২০ ঘণ্টা অতিবহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত এর কোনো ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি। কাউকে গ্রেফতারও করতে পারেনি। শুক্রবার রাতে জিন্দাবাজারে তাঁতিপাড়া গলির মুখে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হন কুয়েত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আব্দুল আহাদ। ঘটনার পর পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওসমানী হাসপাতালে ছুটে যান। এদিকে শনিবার দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে মরদেহ গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগরে নিয়ে যাওয়া হয়।
কোতোয়ালী থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, মরদেহের দাফন শেষে রবিবার আব্দুল আহাদের পরিবারের লোকজন সিলেটে এসে মামলা দায়ের করবেন। ওসি বললেন, কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড তা তারা খতিয়ে দেখছেন। হত্যার ধরণ দেখে মনে হয়েছে হত্যাকারীরা পেশাদার খুনি। সিলেটের জিন্দাবাজার এলাকার তাতিপাড়া গলির মুখে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সন্ত্রাসীরা ছুরিকাঘাতে আহত হন এস এম আব্দুল আহাদ। শরীরের বিভিন্নস্থান আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে গুরুতর অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল আহাদ রাজনগর উপজেলার করিমপুর গ্রামের মেদিনী মহলের নুর মিয়ার ছেলে।
সূত্র মতে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট বিভাগীয় লেখক ফোরাম কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নিহত এস এম আব্দুল আহাদ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শোকসভায় যোগ দিতে সিলেটে এসেছিলেন আহাদ এবং রাতে তার বাড়িতে ফিরার কথা ছিল। কিন্তু দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তিনি লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।
ইত্তেফাক/এমআই