টাঙ্গাইলে বাসে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেফতার হয়নি এর মূলহোতা বাস চালক আলম। এদিকে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেন ডা. রেহেনা পারভীন। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলেও এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওইদিন রাতে বাসের হেলপার নাজমুল ব্যতীত ধর্ষণের মূলহোতা চালক আলম এবং সুপারভাইজার বিষুকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস যাত্রী নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপার বাসস্ট্যান্ডে পৌছায়। তবে বাসস্ট্যান্ডে অন্যান্য যাত্রীরা নেমে গেলেও বাসটিতে বসা ছিল ২৮ বছরের এক প্রতিবন্ধী নারী। ফাঁকা বাসে ওই নারীকে পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে যথাক্রমে বাস চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার। এ সময় ধর্ষণের শিকার নারীর চিৎকার শুনে মহাসড়কের টহলরত পুলিশ বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপার বাসস্ট্যান্ড দাঁড়ানো বাস থেকে হাতেনাতে হেলপারকে ধরতে সক্ষম হন। তবে বাকি দুইজন বাস চালক ও সুপার ভাইজার পালিয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপার বাসস্ট্যান্ডে বাসে প্রতিবন্ধী ধর্ষণ ঘটনার মূলহোতা বাস চালক আলমকে গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে জবানবন্দিতে হেলপার নাজমুল এ ধর্ষণে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ