জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের রনবাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় (বগুড়া-নাটোর) মহাসড়কের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
বুধবার সকালে সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুস্তা গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম রনবাঘা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রনবাঘা মৌজার ৩২৬/১৭১ দাগের ৬ শতক মহাসড়কের মুল্যবান জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ করছে। তারা আরও জানান, জায়গাটি সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বগুড়ার অধিগ্রহণকৃত ওই জায়গা অধিগ্রহণের জন্য তারা টাকাও উত্তোলন করেছে। এরপরেও সেই জায়গায় কিভাবে মার্কেট নির্মাণ করছে তারা ? এমন প্রশ্ন স্থানীয়দের।
গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে বিষয়টি বগুড়া সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে তারা ওই মার্কেটের নির্মাণ বন্ধ করে দেয়। এরপর রনবাঘা গ্রামের আতাউর রহমান সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে অধিগ্রহণকৃত জায়গার সীমানা নির্ধারণের জন্য আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বগুড়ার সার্ভেয়ার দেলোয়ার হোসেন সরেজমিন এসে উক্ত জায়গা জরিপ করে। জরিপে ৩২৬/১৭১ দাগের ৬ শতক জায়গা মহাসড়কের অধিগ্রহণকৃত হিসেবে গণ্য করা হয়।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বগুড়ার সার্ভেয়ার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওই জায়গা মুলত মহাসড়কের অধিগ্রহণকৃত। তা কখনোই মালিকানা নয়। তিনি আরও বলেন, আমি নিজে তা জরিপ করে দেখে মার্কেট নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য বলেছি। তারপরেও সে জোরপুর্বক ভাবে মার্কেট নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
মার্কেট নির্মাণকারী শরিফুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, উক্ত জায়গা আমার পৈতৃক সম্পত্তি। যার কাগজপত্রও রয়েছে। তাই মার্কেট নির্মাণ করছি।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলীর আশরাফুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মহাসড়কের জায়গা জবরদখল করে মার্কেট নির্মাণ করলে তা যথারীতি উচ্ছেদ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ইত্তেফাক/নূহু