কেশবপুরে ইংরেজি ইউ অক্ষর আকৃতির প্রায় দুই কি.মি দৈর্ঘ্যের জলাশয় হবে পর্যটকসহ এলাকার মানুষের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র। উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রায় ৫২ একর জলাশয় বাঁওড় মর্শিণাকে ঘিরে প্রশাসনের উদ্যোগে আকর্ষণীয় একটি ইকো পার্ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ প্রকৃতির নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগের স্থান হিসেবে বাঁওড় মর্শিণাকে ইকো পার্ক করতে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে ওই বাঁওড়ে দেশি প্রজাতির মাছ উত্পাদন করা হচ্ছে।
বাঁওড়ের পাশের কড়িয়াখালী গ্রামের আব্দুল মতলেব শেখ বলেন, তিনি ছোটবেলা বাঁওড়টি অনেক প্রস্থ দেখেছেন। এখন বাঁওড়ের পাশ দিয়ে বেড়ি তৈরি হওয়ায় জলাশয়টি ছোট মনে হয়। এখানে ইকো পার্ক হলে এলাকার মানুষেরও উন্নয়ন হবে। একই গ্রামের যুবক আজিজুর রহমান বলেন, ইকো পার্ক হলে এলাকার পরিবেশ উন্নত হবে।
উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, উপজেলা সদর থেকে পাঁচ কি.মি দূরে খাস খতিয়ানভুক্ত প্রায় ২ কি.মি দৈর্ঘ্য ও ২৫০ মিটার প্রস্থের ইংরেজি ইউ অক্ষর আকৃতির প্রায় ৫২ একর ওই জলাশয়কে প্রকৃতির নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগের স্থান হিসেবে বাঁওড় মর্শিণায় ইকো পার্ক করার জন্য চারটি গোলাকার ঘর, রেস্ট হাউজ, পার্কিং জোনের সঙ্গে ওয়াশ রুম, টয়লেট অত্যাধুনিক কনফারেন্স রুম, গেট, টিকিট ঘর, বাইডার বোর্ড, প্যাটেল বোর্ড, মাছ ধরার মাচাং, চিলড্রেন কর্ণার, মুক্ত মঞ্চ, ওয়াচ টাওয়ার, পিকনিক সেড ও লিংক রোডসহ ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নানা ধরনের প্রস্তাবনা উপজেলা থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানূর রহমান বলেন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে বাঁওড় মর্শিণায় ইকো পার্ক করা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড়ের পরেই ইকো পার্কের কার্যক্রম শুরু হবে।
ইত্তেফাক/নূহু