‘গ্রেনেড হামলাকারীদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের নেতৃত্বকে হত্যা করে নেতৃত্ব শূন্য করা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধ্বংসের জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
 
আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ স্বাধীনতা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত শ্রমিক, কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, শিশু, নারীসহ বিভিন্ন পেশার অসংখ্য মানুষ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
 
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। এ দিনটি রক্তস্নাত বিভীষিকা ও কলঙ্কময়। এটা ছিল বারুদ রক্তমাখা বিভৎস এক রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ।
 
তিনি বলেন, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের হাতে যে অসংখ্য মানুষ নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, সেই অপরাধীদের বিচার করতে হবে। যাতে বাংলার মাটিতে আর কেউ এ ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সাহস না পায়।
 
শাজাহান খান বলেন, ২১ আগস্ট ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িতদের রক্ষায় প্রকাশ্য ভূমিকা রেখেছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত হত্যাকারী ও মদদ দানকারীদের বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াত তৈরি করেছিল জজ মিয়া নামক নাটক। পরে অবশ্য জজ মিয়া নামে এক ভবঘুরে, একজন ছাত্র ও একজন আওয়ামী লীগ কর্মীসহ ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অথচ পরবর্তীতে তাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। শুধু তাই নয়, তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলার সব আলামত নষ্ট করারও অভিযোগ রয়েছে।
 
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা, শ্রমিক নেতা মো. শাহাবুদ্দিন, মোখলেসুর রহমান, মহসিন ভূইয়া, আবুল হোসেন, কামাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বাসস
 
ইত্তেফাক/কেকে