মাতৃমৃত্যু রোধে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্পিকার

মাতৃমৃত্যু রোধে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। 
 
আজ রবিবার সংসদ ভবনের শপথকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপি)-এর যৌথ উদ্যোগে এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক পলিসি ডায়লগে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই আহ্বান জানান।
 
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি এক লাখে মাতৃমৃত্যুহার ১৭৬ জন। ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার ৭০ জনে নামিয়ে আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
 
দুর্গম এলাকা বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকা, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে মাতৃমৃত্যুর হার বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের যেসব অঞ্চলে মাতৃমৃত্যুর হার বেশি সে অঞ্চলকে চিহ্নিত করে কারণ অনুসন্ধান করে সঠিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলে অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে পারলে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।
 
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক একটি সার্বজনীন মানদণ্ড এসডিজি এর লক্ষ্যও নির্ধারিত হয়েছে। এ দু’য়ের সমন্বয়ে প্রত্যেকের সুনির্দিষ্ট কাজগুলো বাস্তবায়নের দিকে আমাদের দৃষ্টি স্থির করতে হবে।
 
মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, এ কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে যাতে জনগণ আরও বেশি সেবা গ্রহণ করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবাদানকারী জনবলকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
 
স্পিকার বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন সূচকে বাংলাদেশ এশিয়ার আঞ্চলিক অগ্রগতি থেকে এগিয়ে আছে। বাংলাদেশ এমডিজি এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফলতা দেখিয়েছে, সে ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে অবশ্যই এসডিজি এর অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করবে।
 
ইত্তেফাক/কেকে