মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে শেফালী বেগম নামের এক মহিলা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিকার চেয়ে সোমবার বিকালে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন মাহফুজার রহমান বিপ্লব নামে এক ব্যক্তি।
সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব বলেন, আমার ছোট ভাই মোঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ পাভেল (২৯) তিনি ইংরেজি বিষয়ে মাস্টার্স পাশ করার পর রংপুর মেডিকো কোচিং সেন্টারে চাকরি করে আসছেন। আমাদের প্রতিবেশী মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে মোছাঃ শেফালী বেগম (৪২, তালাকপ্রাপ্তা)। রংপুর সিটি করপোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ডের ওই সময়ের বহিস্কৃত কাউন্সিলর মোখলেছুর রহমান তরু তার বড় ভাই। গত বছরের ১৬ নভেম্বর সে তার বোনের বাচ্চাকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে পাভেলকে দুপুরে মোহাম্মদিয়া ডায়াগনোস্টিক সেন্টাারে ডেকে নেয়। সেখান থেকে তাকে তুলে নিয়ে খটখটিয়া এলাকায় তরু কাউন্সিলর এর বাড়ির একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে মারপিট করে। এক পর্যায়ে শেফালীর সঙ্গে বিয়ে দেয়। এই ঘটনার পর ওই দিনই সরকারি নিয়ম মেনে শেফালীতে তালাক দেন পাভেল।
এ ঘটনায় শেফালী বেগম এবং তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং আমার ভাইসহ আমাদের পরিবারের লোকজনের ক্ষতি করার চেষ্টা করতে থাকে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারা আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে বেদম মরপিট করে। পরে মৃতভেবে তাকে ধাপ স্টাফ কোয়ার্টারে ফেলে রেখে যায়। পুলিশ গিয়ে অচেতন অবস্থায় তাক উদ্ধার করে। এই ঘটনায় রংপুর কোতয়ালী থানায় মামলা করলেও পুলিশ মামলা গ্রহন করেনি। উল্টো শেফালীর করা একটি মিথ্যা যৌতুক মামলা গ্রহন করে আমাদের হয়রানী করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যেদিন বিয়ে হয়েছে ওই দিন রাতেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তালাক দেয়া হয়েছে। কিন্তু কখন নির্যাতন করা হলো আর কখন যৌতুক চাওয়া হলো? এর পরেও পুলিশ তদন্ত না করেই মামলা নিয়ে আমাদের হয়রানী করছে। শুধুও ওই মামলা না, একের পর এক হয়রানী এবং ভাই পাভেলকে হত্যার চেষ্ট চালাচ্ছে। এই মিথ্যাা মামলা এবং হয়রানী থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ মামলা করছি।
সংবাদ সম্মেরনে মাহফুচার রহমান বিপ্লবসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/নূহু