সাভারে বুধবার সন্ধ্যায় পৃথক স্থান থেকে দুই ছাত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে রাতে আশুগঞ্জে যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সাভার: পৃথক স্থান থেকে দুই ছাত্রীসহ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার আশুলিয়া বাজার ব্রিজ ও ভাকুর্তা ইউনিয়নের বাহেরচড় এলাকা থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আশুলিয়ার থানার ওসি রিজাউল হক বলেন, বুধবার বিকেলে স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থায় দুই ছাত্রীকে আশুলিয়া ব্রিজের কাছে বসে থাকতে দেখা যায়। এসময় তাদেরকে বিষন্ন অবস্থায় কান্নাকাটি করতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে সন্ধ্যার দিকে তুরাগ নদীতে ওই দুই শিক্ষার্থীর ভাসমান লাশ দেখতে পায় স্থানীয় ভাটা শ্রমিকরা। বিষয়টি আশুলিয়া থানায় জানানো হলে সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ গুলি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিকভাবে নিহতের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহতদের বয়স আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ বছর। তাদের পড়নের জামার নিচে স্কুল ড্রেস পরিহিত ছিল। মানসিক অস্বস্তির কারণে তারা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
অন্যদিকে যৌতুকের এক লাখ টাকা না পেয়ে সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের শ্যামলাসি বাহেরচড় এলাকায় ফুলমতি আক্তার (১৮) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এছাড়া ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধূর শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
সাভার মডেল থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন, এঘটনায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): আশুগঞ্জ রেল স্টেশনের পূর্ব পাশে দুই রেল লাইনের মাঝখান থেকে বুধবার রাতে মুছা নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে রেল পুলিশ। মুছা উপজেলার চরচারতলা গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
মুছার ছোট ভাই ইসহাক জানান, প্রতিদিনের মত ভাই বুধবার দুপুর ১২টায় খাওয়া দাওয়া করে কাজের উদ্দ্যেশ্যে বের হন। এরপর আর তার কোন খবর পাওয়া যায়নি। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় ঘটনাস্থল থেকে এক লোকে ফোন করে বলে যে মুছার লাশ আশুগঞ্জ রেল স্টেশনের পুর্ব পাশের রেল লাইনের মাঝখানে পড়ে আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পাই এবং রেল পুলিশকে খবর দেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশনের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. সানাউল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে রাত সাতটায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল করি এবং উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। লাশের গায়ে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি