ভোজ্যতেলের মান সঠিকভাবে নিরীক্ষিত হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই) এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) টিম। গতকাল বুধবার দুদকের সহকারী পরিচালক নারগিস সুলতানার নেতৃত্বে পুলিশসহ ৬ সদস্যের একটি টিম এ অভিযান চালায়। এ সময় দুদক টিম বিভিন্ন নামকরা ভোজ্যতেল কোম্পানির তেলের ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট সংগ্রহ করে।
এ অভিযানে দুদক টিম অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট যাচাই করতে গিয়ে লক্ষ্য করে যে, কিছু ফ্রুট সিরাপে ক্ষতিকারক বেনজয়িক এসিডের মাত্রা সহনীয় মাত্রার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি পরিমাণে রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দুদক টিম বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক (প্রশাসন)-কে পরামর্শ প্রদান করে।
অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী জানান, “প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন সৃষ্টি এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুদক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে, এর উদ্দেশ্য দুর্নীতি প্রতিরোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা।”
এ দিকে দুদক হটলাইন (১০৬)-এ প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার রাজধানীর উত্তরার ১১নং সেক্টরে দুদকের অপর একটি টিম অভিযান চালিয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে রাজউকের অথরাইজড অফিসারের উপস্থিতিতে পুলিশসহ ৯ সদস্যের টিম এ অভিযান চালায়। দুদক টিম সরেজমিনে গিয়ে উদ্ঘাটন করে, উত্তরা ১১নং সেক্টরের ১৬নং রোডের ১৭নং বাড়িটি রাজউকের নিয়ম ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছে। নকশায় বাড়িটির সামনে ৬ ফুট এবং পেছনে ৫ ফুট জায়গা ছাড়ার কথা থাকলেও কোনো জায়গা না ছেড়েই বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। এ ঘটনা উদ্ঘাটনের পর দুদকের নির্দেশে রাজউকের অথরাইজড অফিসার বাড়িটির নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং উক্ত বাড়ির মালিককে তিন দিনের মধ্যে বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলার নোটিস প্রদান করেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি