শার্শায় বাণিজ্যিকভাবে মালটা চাষ

শখ করে টবে কিংবা বাড়ির আঙ্গিনায় মালটা গাছ লাগালেও এখন বাণিজ্যিকভাবে এটির চাষ হচ্ছে যশোর জেলার শার্শার উলাশীর কাঠুরিয়া  মাঠে। আশানুরূপ ফলন হওয়ায় বেজায় খুশী চাষিরা।
 
এই প্রথমবারের মতো শার্শা উপজেলার নাভারন-সাতক্ষীরা হাইওয়ে সড়কের উলাশী বাজারের পশ্চিম দিকে কাঠুরিয়া গ্রামের মাঠে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মালটার। অন্যান্য ফলজ চাষের পাশাপাশি এবার কাঠুরিয়া গ্রামের চাষি হায়দার আলী গগন ১ বিঘা ১০ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন মালটার। ব্যবসার পাশাপাশি গগন মালটা চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। জুন-জুলাই মাসে মাল্টার চারা রোপণ করে ২৪ মাস পর থেকে ফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি গাছে মালটা ধরেছে ৭০/৮০টি। এক বিঘা জমিতে ১০০টি মালটা গাছ রোপণ করা হয়েছে। গগনকে প্রতিটি মালটার চারা কিনতে হয়েছে ৫০ টাকা দরে। তাছাড়া মালটা ক্ষেতে সাথী ফসলও করা যায়। এখন মালটার পাক ধরেছে। ২/১ সপ্তাহের মধ্যে মালটা বাজারজাত করতে পারবেন তিনি। 
 
গগন জানান, এ পর্যন্ত তার এক বিঘা জমিতে চাষ করতে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর এ এক বিঘা জমি থেকে মালটা বিক্রি করতে পারবেন এক লাখ টাকার।
 
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিরক কুমার সরকার জানান, অন্যান্য ফলজ চাষের চেয়ে কম খরচে এবং অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় চাষিরা ঝুঁকছে বারি মালটা-১ চাষে। এবার এ উপজেলায় ২০ বিঘা জমিতে ৩৫ জন চাষি বারি মালটা-১ চাষ করেছে।
 
নানাগুণ আর ভিটামিন সমৃদ্ধ মালটা ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে শার্শার  চাষিরা। তবে সরকারিভাবে চাষিরা মালটা চাষে আর্থিক সহায়তা পেলে এ উপজেলায় নিশ্চিত মালটা চাষ বৃদ্ধি পাবে এমনটিই আশা করছেন চাষিরা।
 
ইত্তেফাক/নূহু