মৌসুম শুরু হলে টেকনাফ থেকে ছয়-সাতটি প্রমোদতরী এবং ৩০টির বেশি কাঠের ট্রলারে সেন্টমার্টিন যাওয়া-আসা করেন দৈনিক ১৫ হাজার পর্যটক। কিন্তু আগামী মৌসুম থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১২৫০ জন সেন্টমার্টিন যাওয়ার অনুমতি পাবে।
পর্যটকের আসা-যাওয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেন্টমার্টিনকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। আগামী মৌসুম থেকে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যক্তি সেন্টমার্টিনে গেলে শাস্তি কিংবা অর্থদণ্ড দিতে হবে। এর লক্ষ্যে একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজ চলছে।
কউক চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) ফোরকান আহমেদ জানান, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সেন্টমার্টিন বাঁচাতে ইতোমধ্যে একটি নীতিমালা তৈরি হয়েছে। আগামী পর্যটন মৌসুম (ডিসেম্বর-এপ্রিল) থেকে এ নীতিমালা চালু হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক কামরুল হাসান জানান, আগামী মৌসুম থেকে দিনে ১ হাজার ২৫০ জন করে সেন্টমার্টিনে যেতে পারবেন। এর মধ্য থেকে কতজন দ্বীপে রাত যাপন করতে পারবেন, তাও নীতিমালায় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, পর্যটনের ওপর দ্বীপের মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে। এ জন্য একটা নীতিমালা তৈরি দরকার।