খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, সারাদেশে ৫০ লাখ পরিবার প্রতি কেজি ১০ টাকা করে ৩০ কেজি ‘পুষ্টিচাল’ পাচ্ছে। যাদের পুষ্টির অভাব রয়েছে তারা এ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আসবে। পুষ্টি সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে সরকার নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেরাণীগঞ্জ উপজেলার ১৮ হাজার ৯ শ’১ উপকারভোগী পরিবার এ চাল পাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার কেরাণীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের রেডরোজ পার্টি সেন্টারে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
‘সর্বসাধারণের জন্য খোলা বাজারে পুষ্টিচাল সহজলভ্য করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক গবেষণা জরিপে দেখা গেছে যে, এদেশের জনগণের দেহে ভিটামিন এ, বি-১,বি-১২, ফলিক এসিড, আয়রন ও জিংক এই ৬টি ভিটামিনের অভাব রয়েছে।এ চালের মাধ্যমে ওই সমস্ত ভিটামিনের অভাব দূর করা সম্ভব।
খাদ্য মন্ত্রী বলেন, সুষম খাদ্য গ্রহণের অসচেতনতার জন্য জনগণের মাঝে পুষ্টি সমস্যা রয়েছে। এ পরিস্থিতি উপলব্দি করে পুষ্টি সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে দরিদ্র জনসাধারণের জন্য সরকারের গৃহীত সামাজিক নিরাপত্তা বলয় কর্মসূচির অর্ন্তভুক্ত খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ১৪৬টি সামাজিক নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করেছেন।এর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এরমধ্যে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির ব্যাবস্থাও করা হয়েছে। যে কারণে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি রিচার্ড রেগান, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরিফুর রহমান অপু, খাদ্য সচিব শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ। বাসস
ইত্তেফাক/কেকে