ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী একটি বিমান আজ বুধবার বেলা ১টা ৩০মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। বিমানে ১৬৪ জন যাত্রী, দুইজন পাইলটসহ ৫ জন ক্রু ছিল। বিমানের যাত্রী, পাইলট, ক্রুসহ ১৭১ জন আরোহীকে নিরাপদে বিমান থেকে বের করে আনা হয়েছে এবং তারা সুস্থ আছেন বলে জানান বিমানবন্দর সূত্র।
যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্স।
ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্স জানায়, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্সের বিএস ১৪১ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করা হয়। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে পাইলট এ সিদ্ধান্ত নেন। কক্সবাজারে অবতরণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করা হয়।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপকসহ অন্যান্য সূত্রগুলো জানায়, এটি ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট থেকে বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়েছিল। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ বিমানটি কক্সবাজারে অবতরণকালে পাইলট কক্সবাজারের আকাশে কয়েকবার চক্কর দেয়। পরে পাইলট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের ঝুঁকি না নিয়ে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নিয়ে চট্টগ্রামের আকাশে চলে আসেন। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের রানওয়েতে জরুরি অবতরণ করান বিমানের পাইলটরা।
চট্টগ্রাম বিমান বন্দরের ট্রাফিক শাখার কর্মকর্তারা জানান, বিমানের পাইলট দক্ষতার সঙ্গে বিমানটিকে রানওয়েতে নামান।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারের একজন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, বিমানটি যেভাবে জরুরি অবতরণ করেছে এতে বিমানটিতে আগুন ধরে যাওয়াসহ দুর্ঘটনার আশংকা ছিল। কিন্তু কোনো ক্ষতি ছাড়াই বিমানটি অবতরণ করে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বিকেল পর্যন্ত আর কোনো ফ্লাইট না থাকায় জরুরি অবতরণ করা ইউ এস বাংলার বিমানটিকে ততক্ষণে রানওয়ে থেকে সরিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই ঘটনায় বিমানবন্দর রানওয়ের কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।
ইত্তেফাক/কেকে