কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার ১০ দিন পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী রুমী (১৪) লাশ সিলেট থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও মিথা বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে নিয়ে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে খুন করেছে বলে পুলিশ জানায়।
ঘটনার পর মির্জাপুরে হতভাগী স্কুলছাত্রী রুমীর বাড়িতে চলছে গত ১০-১২ দিন ধরে শোকের মাতম।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূলহোতা শফিক (২৬), তার স্ত্রী সোনালী আক্তার হ্যাপি, দুই ভাবি দিপা ও লাভলীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে হাজির করলে প্রধান আসামি ঘাতক শফিক ও তার স্ত্রী সোনালী ও দুই ভাবি স্কুলছাত্রী রুমীকে নির্মমভাবে হত্যার কথা আদালতের বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেটের বিশ্বনাথ থানার এসআই মো. মহব্বত হোসেন শুক্রবার জানিয়েছেন।
আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি দেওয়ায় তাদের রিমান্ডে আনা হয়নি বলে পুলিশের ঐ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এসআই মহব্বত জানান, রুমীর বাবা মো. আতাউর রহমান। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ইউনিয়নের নগরভাদগ্রাম এলাকার আউটপাড়া গ্রামে। রুমী মৈশামুড়া বসন্ত কুমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে রুমী ছিল ছোট।
ইত্তেফাক/আরকেজি