নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন বলেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির ভূমিকা ‘দুঃখজনক’। তবে এজন্য তার নোবেল শান্তি পুরস্কার কেড়ে হবে না।
স্টকহোমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুরস্কার দেওয়ার পরের কোনো ঘটনার জন্য তা কেড়ে নেওয়ার মানে হয় না।
মিয়ানমারের রাখাইনে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয় এ অভিযানের পর থেকে প্রায় ৭ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
IMG0
রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে গণহত্যার উপাদান রয়েছে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে এরই মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে চাপে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অং সান সুচিও। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের সমালোচনার ভয়েই জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন বয়কট করেছেন সুচি।
ইত্তেফাক/টিএস