অভিনেতা সজল। ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। টিভি নাটকের রোমান্টিক গল্পে দৃশ্যায়নে যেন বারবার ওকেই খুঁজেছে অধিকাংশ নির্মাতা। চলচ্চিত্রেও নিজেকে প্রকাশ করেছেন নিজের মতো করেই। টিভিসি বা মডেলিং দিয়ে শুরু করলেও নিজের কাজের প্রতি এক ধরনের দৃঢ় আস্থা খুঁজে পাওয়া যায় তার চলাচলে। আফজাল হোসেনের হাত ধরে এলেও এখন এই শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম একজন। কথা বলেছেন বেশকিছু প্রসঙ্গ নিয়ে। সাক্ষাতকার নিয়েছেন নুরুল করিম
কেমন আছেন? হঠাৎ করেই সজলকে খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন একটি অভিযোগ আছে—
এই অভিযোগের সাথে আমি একমত। কারণ আমি আসলেই হঠাৎ করে উধাও হয়ে যাই। কারণ আমি টানা প্রতিদিন কাজ করতে পারি না। একটানা ১ থেকে দেড় মাসের বেশি কাজ করি না। এরপর হয়তো দু-মাসের ব্রেক নিই।
এভাবে হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না? কারণ এখন তো টিভি, ডিজিটাল মিডিয়া সবক্ষেত্রেই দারুণ প্রতিযোগিতা—
না, এটা হয়তো অনেকেই বিশ্বাস করবে না। কিন্তু আমি জানি আমি কে? তাই নিজেকে হারানোর ভয় নেই। আর এখন দেখি অনেকেই নাটক রিলিজ হওয়ার পর ইউটিউব ভিউ গোনে। আমি মনে করি কোয়ালিটি দর্শক কম হলেও আমার কোনো দুঃখ নেই। আমি এসব ক্ষেত্রে অস্থির হই না কখনো।
কিন্তু অনেকেই মনে করে যে, সজল ফিল্মটা সিরিয়াসলি করলে ভালো করতো—
আমি সিরিয়াসলিই ফিল্মটা করতে চেয়েছি। তন্ময় তানসেনের রান আউট নিয়ে কিন্তু আমার কোনো আক্ষেপ নেই। কাজটা যে দেখেছে প্রশংসা করেছে। কিন্তু এরপর আমিও ফিল্মে একাধিক কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। আমি গল্পপ্রধান চরিত্রে কাজ করতে চাই। যেখানে আমি বা আমার নায়িকা প্রধান চরিত্র থাকবে না। গল্পটাই হবে মূল নায়ক
এখন কোন ধরনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত?
এই প্রথম ওয়েব সিরিজ করলাম। সেটিও ভৌতিক। দেখা যাক কেমন হয়। এছাড়া টানা কাজ করে যাচ্ছি। চরিত্রের ব্যাপারে আমি নিজেকে বারবার ভাঙার চেষ্টা করেছি, করবো।
ইন্ডাস্ট্রিতে অপূর্ব আর আপনি একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী, এমনটা শোনা যায়—
এর চেয়ে হাস্যকর আর কি হতে পারে। অপূর্ব আমার শত্রু বা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বন্ধু। আমি ওর যেকোনো কাজ ভালো লাগলে সাথে সাথে ফোন দিয়ে এপ্রিশিয়েট করা হয়। হ্যাঁ, এটা ঠিক গল্পের প্রয়োজনে আমার শিডিউল না মিললে অপূর্বকে খোঁজে। কিংবা ওকে না পেলে ওই চরিত্রটিকে খোঁজা হয়। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কিছু নেই।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ