গুলশানে সর্বপ্রথম প্লাটিনাম পরিবেশবান্ধব সায়হাম টাওয়ার

রাজধানী ঢাকার গুলশান-১ এ গেলে যে কারো নজরে পড়বে সুউচ্চভাবে দাঁড়িয়ে থাকা সায়হাম টাওয়ার। পরিবেশ বান্ধব এ টাওয়ারটি ‘কোর এন্ড শেল’ ক্যাটাগরিতে ‘লীড এনসি ভিথ্রি প্লাটিনাম’  স্বীকৃতি দিয়েছে ইউএসজিবিসি, যা বাংলাদেশে প্রথম। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুগোপযোগীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে ভবনটি।
 
১৪ তলা বিশিষ্ট এ ভবনটিতে রয়েছে অনেক সুযোগ সুবিধা। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য রয়েছে ৩টি বেসমেন্ট। ঢাকা শহরের সমস্থ যান্ত্রিকতা ও কোলাহল থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ভবনটির শব্দদূষণ রোধ করার রয়েছে যথেষ্ট ক্ষমতা।
 
প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এ ভবনে। সবুজ গৃহায়নের মাধ্যমে এতে অক্সিজেন উৎপাদন করা হয়। প্রাকৃতিক আলোবাতাসের পর্যাপ্ত বিচরণ রয়েছে সমস্থ ভবন জুড়ে।
IMG0  
ভবনটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। এর এক্সেস মাধ্যমও অনেক উন্নত। বিদ্যুৎশক্তির অপচয় রোধ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করা আছে।  
 
ভবনটি আগুন নির্বাপক ও প্রতিরোধ ব্যবস্থাও অনেক শক্তিশালী। ভবনটি দেখভাল করার কাজ করে   উদ্যমী ও কর্মঠ তরুণ যুবক। এছাড়া নিযুক্ত রয়েছে দক্ষতা সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ার।
 
এছাড়া ভবনটি  সায়হাম গ্রুপ এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের কর্পোরেট অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই আধুনিক ভবনটি স্বপ্নদ্রষ্টা সৈয়দ শাফকাত আহমেদ, সায়হাম টাওয়ারের  সিইও এবং সায়হাম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকের দায়িত্বে আছেন।
 
উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রীন বিল্ডিংকে সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্ব রাখে গ্রীন বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম। যার মাধ্যমে একটি কাঠামোর বিভিন্ন প্রাকটিসকে বিশ্লেষণ করে একটা গাইড লাইন তৈরি থাকে। যা অনুসরণ করে স্থাপনার নকশা প্রণয়ন এবং তৈরি করা হলে সেই সকল স্থাপনাকে সার্টিফাইড গ্রীন বিল্ডিং বলা হয়ে থাকে।
 
বিশ্বে বিভিন্ন জনপ্রিয় এই ধরনের রেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে লীড (LEED) সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। যা ইউএস গ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল প্রণয়ন করে থাকে। লীডে লীডে ৪টি ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে  সারটিফাইড ৪০-৫০ পয়েন্টস,সিলভার ৫০-৫৯ পয়েন্টস,গোল্ড ৬০-৭৯ পয়েন্টস, প্লাটিনাম ৮০+  
 
ইত্তেফাক/এসআর