আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করে আওয়ামী লীগ। আর রায়কে ঘিরে বিএনপি কোনো নাশকতা-সহিংসতা করার চেষ্টা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আল-রিয়াদ এক্সপ্রেস বাসের যাত্রা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়কে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা জানি এই মামলার রায় নিয়ে তারা (বিএনপি) এখন থেকে বড় ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার পরিকল্পনা নিচ্ছে। তবে বিএনপি এটাকে নিয়ে যদি কোন সমস্যা তৈরি করতে চায়, সহিংসতা-নাশকতা করতে চায় তাহলে ছাড় পাবে না।
হাঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, তারা ভুলে গেছে এটা ২০১৪ সাল নয়, এখন ২০১৮ সাল। যে কোন অপচেষ্টা হলে জনগণ প্রতিরোধ করবে, আমাদের লাগবে না। ২০১৪ সালের মতো আর কিছু করা সম্ভব হবে না। জনগণ তাদের সেই অপচেষ্টা রূখে দেবে। আর সহিংসতার উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে যা করার দরকার হয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা করবে।
২০১৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গ্রেনেড হামলার ঘটনার সময় ক্ষমতা ছিল বিএনপি। সবাই জানে এর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে হাওয়া ভবন, তারেক রহমান। এখন সত্যকে আঁঁড়াল করে লাভ নেই। তারপরও আমরা এই ব্যাপারে রায়ের আগে কোন কমেন্ট করতে চাই না। কিন্তু ন্যায় বিচার যেন আমরা পাই।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজেও তো এই হামলায় আহত হয়েছি। আমাদের নেত্রীর একটা কানের শ্রবণ শক্তি চলে গেছে। আইভি রহমানসহ ২৪ জনের প্রাণের প্রদীপ চিরদিনের মতো নিভে গেছে। কাজেই এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলাদেশে হবে না, এই ইমিউনিটি কালচার গড়ে তুলবো?’
বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’র সম্মিলিত পাঁচ দফা দাবির বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পাঁচ দফার ভিত্তিতে পাঁচ মিশালী জাতীয় ঐক্য। এই জগাখিচুড়ি মার্কা ভাঙ্গনপ্রবণ ঐক্য জাতির কাছে আবেদনহীন।
ইত্তেফাক/এমআই