‘পানি ও রোহিঙ্গা নিয়ে ঢাকার উদ্বেগ নিরসনে দিল্লির প্রচেষ্টা জরুরি’

পানি ও রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো ঢাকার দুটি বড় উদ্বেগ নিরসনে ভারতকে সত্যিকারের প্রচেষ্টা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: ভবিষ্যতের পূর্বাভাস’ শীর্ষক এক আলোচনায় এ আহ্বান জানান বক্তারা। 
 
আলোচনা সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে কসমস ফাউন্ডেশন এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ (আইএসএএস)।
 
আইএসএএসের মুখ্য গবেষণা ফেলো এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইএসএএসের পরিচালক সি রাজা মোহন।
 
সিঙ্গাপুরের অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এবং আইএসএএসের চেয়ারম্যান গোপিনাথ পিল্লাই, ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত কৃষ্ণান শ্রীনিবাসন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতউল্লাহ খান, কসমস গ্রুপের পরিচালক নাহার খান ও মাসুদ খান এবং সাবেক ও বর্তমান কূটনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও সম্পাদকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
 
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘তারা যদি (ভারত) দাবি করে যে, আমরা বন্ধু তাহলে আমরা সমান ও অকপট আচরণ চাই। আমাদের সমৃদ্ধি ভারতেরও সমৃদ্ধির কারণ হবে।’
 
তিনি জানান, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং তারা যদি ফিরে না যায় তাহলে বাংলাদেশ সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সব ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে।  
 
অধ্যাপক দিলারা নিরাপত্তার দ্বিতীয় বিষয় হিসেবে পানি ইস্যুটিকে চিহ্নিত করেন এবং এ বিষয়ে ভারতের সুশীল সামাজের কোনো ভূমিকা না দেখতে পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলো মরে যাওয়ার জন্য তিনি ভারত নির্মিত বাঁধগুলোকে দায়ী করেন।
 
তিনি জানান, বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিলেও বাংলাদেশ খুব বেশি কিছু অর্জন করতে পারেনি। খবর: ইউএনবি 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ