স্থিতিশীল সঙ্গীর অপেক্ষায় তামিম

স্পোর্টস রিপোর্টার

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলছেন তামিম ইকবাল। এই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ১৪ জন ওপেনারের সাথে ইনিংস শুরু করার অভিজ্ঞতা হয়েছে তার। তামিম এক প্রান্তে স্থায়ী হয়ে আছেন। কিন্তু অন্য প্রান্তে একজন স্থিতিশীল সঙ্গীকে খুঁজে পাননি তিনি। এই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অন্তত একজন স্থায়ী সঙ্গীর খোঁজে আছেন তামিম।

গতকাল বাঁহাতি এই ওপেনার বলছিলেন, যদিও তিনি এখনো পর্যন্ত সেরকম স্থায়ী কাউকে সঙ্গী হিসেবে পাননি; তবে আশা করেন সৌম্য-লিটনের একজন এই ভূমিকাটায় নিয়মিত হবেন, ‘যারা বিশ্বের গ্রেটেস্ট ওপেনিং পার্টনারস— হেইডেন-গিলক্রিস্ট, গাঙ্গুলি-শচীন, শেওয়াগ-শচীন এদের মধ্যে দেখবেন একটা বোঝাপড়া থাকত। আপনি যখন ওদের খেলা ম্যাচগুলো দেখবেন আপনি মনে করবেন যে, অন্য জন কি চাচ্ছে, সেটা তারা জানে। এরকম সুযোগ দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের এখনো হয়নি। তবে আমি নিশ্চিত যে দুজন বিশ্বকাপে যাচ্ছে, তারা বাংলাদেশের হয়ে আগামী ১০-১৫ বছর খেলার সামর্থ্য রাখে। ভালো একটা পারফরম্যান্স দেখানোর এটাই সেরা সময় বলে আমি মনে করি।’ একজন নিয়মিত ওপেনিং সঙ্গীর অভাব যেমন বোধ করেন, তেমনই একজন নিয়মিত সঙ্গী থাকলে কী উপকার সেটাও বোঝেন তামিম ইকবাল। তিনি বলছিলেন, ‘যখনই আপনার একজন নিয়মিত ওপেনিং সঙ্গী থাকবে, তখন যেটা হয়, আমরা দুজনই আমাদের খেলাটাকে ভালো বুঝতে পারি আর কি। সেটা আমাদের এখনো হয়নি। তবে আমি নিশ্চিত, লিটন অ্যান্ড সৌম্য বেশ সুযোগ পেয়েছে। আমি নিশ্চিত, এটাই ওদের সেরা সুযোগ বিশ্বের সামনে নিজেদের তুলে ধরার।’

তবে তামিম হতাশ হতে চান না। তার ধারণা সৌম্য ও লিটন জ্বলে উঠবেন। বিশেষ করে সৌম্য সম্প্রতি যে অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন, সেটাকে অনেক বড় করে দেখতে চান তামিম, ‘এটা অসাধারণ একটা অর্জন। বাংলাদেশি কেউ এই প্রথম ২০০ রান করেছে। যদিও আমরা খেলব একেবারেই ভিন্ন একটা কন্ডিশনে, ভিন্ন বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে, তবুও রান করাটা সবসময়ই ইতিবাচক। এটা আত্মবিশ্বাস জোগায়। সে কোথায় রান করেছে এটা মুখ্য বিষয় নয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে, সে রান করেছে। সে যদি শেষ দুই ম্যাচে দুইটা সেঞ্চুরি না করে ১০ আর ৫ করে ট্যুরে যেত, ওর মাথার মধ্যে এক পার্সেন্ট হলেও চাপ থাকত। কিন্তু যখন আপনি রান করেন, তখন আপনি এটা জানেন যে, কিভাবে রান করতে হয়। দ্যাট ইজ ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট। যখন কারো ফর্ম খারাপ যায়, তখন সে ওইটা ভুলে যায় যে, কিভাবে রান করতে হবে। তাই এটা তার (সৌম্যর) জন্য খুব পজিটিভ যে সে আয়ারল্যান্ডে যাওয়ার আগে দুটো বড়ো ইনিংস খেলেছে।’