এখন জনগণের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে :খাদ্যমন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, এখন আমরা জনগণের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে চাই।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্য: খাদ্য অধিকার ও পুষ্টি অধিকার প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ‘খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ’ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

‘খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ’ ও ‘পিকেএসএফ’-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহ্ নেওয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েভ ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী।

ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশ এখন টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, এজন্য প্রত্যেকের জন্য ন্যূনতম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে, খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ড. মোঃ শাহ্ নেওয়াজ বলেন, খাদ্যের সঙ্গে পুষ্টির সম্পর্ক আছে। জীবনযাপনে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের চর্চা, মাতৃগর্ভ থেকেই শিশুর পুষ্টির নিশ্চয়তার জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম শিশুদের পুষ্টির উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, পুষ্টিসম্মত স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করা দরকার। ফাস্টফুডের উপরে করারোপ করে সরকার একে নিরুত্সাহিত করতে পারে। ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, জিডিপির প্রায় আড়াই শতাংশ আসে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি থেকে, যে কর্মসূচি খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। সেখানেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনসনের অংশটুকু বাদ দিলে জিডিপিতে এর পরিমাণ পৌণে দুই শতাংশের বেশি নয়।