চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত পরিবেশবান্ধব ‘গ্রীন পোর্ট’ এর আদলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরও গ্রীন পোর্ট ধারণা গ্রহণ করে এর কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। গতকাল বুধবার বন্দর অডিটরিয়ামে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে চবক চেয়ারম্যান বন্দরের উন্নয়ন ও সক্ষমতা এবং ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, সর্বাধিক অগ্রাধিকার প্রকল্পের মধ্যে বে-টার্মিনালের ইয়ার্ড, ট্রাক টার্মিনাল এবং উক্ত স্থানে ফ্লাইওভার নির্মাণ। তিনি বলেন, বে-টার্মিনালে ১০ লাখ বর্গমিটার ইয়ার্ড নির্মাণ হলে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে ৭ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারবে। এর মাধ্যমে কাস্টমসের সকল কর্মকাণ্ড বে-টার্মিনালে সম্পন্ন হবে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে কন্টেইনার জটের কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।
বন্দর চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বন্দরে সংযোজিত নতুন ইকুইপমেন্টের ফলে বন্দরের সক্ষমতা ও উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরেন। বর্তমানে কন্টেইনারবাহী জাহাজ বহির্নোঙরে আসার এক থেকে দুদিনের মধ্যে বন্দরের জেটিতে ভিড়ছে। অনেক জাহাজ সরাসরি বন্দরের জেটিতে পৌঁছার নজির রয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম ও সদস্য (প্রকৌশল) কমোডর আকতার হোসেনসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।