বাংলা সঙ্গীত জগতের অন্যতম ধ্রুবতারা আইয়ুব বাচ্চু। সঙ্গীতে তিনি নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছেন। গানের মাধ্যমে কষ্ট, বেদনাসহ জীবনের নানা অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তার গিটারের সুরে উচ্ছ্বসিত হয়েছে লাখো শ্রোতা। তিনি চলে গেলেও রয়ে যাবে তার গান। যুগ যুগ ধরে মানুষ শুনবে সেই গান।
কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, এই দেশে আইয়ুব বাচ্চুর কোটি কোটি ভক্ত রয়েছে। তার গিটারের সুরে মুগ্ধ হয়েছে অগণিত শ্রোতা। যে গানগুলো তিনি রেখে গেছেন সেইসব গান এদেশের চিরকালের সম্পদ হয়ে থাকবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম শুনবে সেই গান।
নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, শিল্পী হিসেবে আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার তরুণ প্রতিনিধি। এই শিল্পী সঙ্গীতে নতুন ভাষা দিয়েছেন। আগামী প্রজন্ম তার সঙ্গীত ধারাকে অনুসরণ করবে।
ব্যান্ডদল ফিডব্যাকের ফোয়াদ নাসের বাবু বলেন, গানের জন্য আইয়ুব বাচ্চুর পরিশ্রম, সাধনা ও প্যাশন ছিল সার্বক্ষণিক। তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান ছিলেন। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে একজন আইয়ুব বাচ্চু।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতকে মাতিয়ে রেখেছিলেন এলআরবির এই কাণ্ডারি। সঙ্গীতকে আরো উচ্চ আসনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই চলে যান না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। গানের জগতে আসেন ব্যান্ড ফিলিংসের মাধ্যমে। এর আগে বন্ধুদের সঙ্গে ছোটখাটো অনুষ্ঠান করতেন। এরপর ১৯৯১ সালে গঠন করেন এলআরবি। আইয়ুব বাচ্চুর একক অ্যালবাম রয়েছে ১৬টি। আর ব্যান্ড অ্যালবাম করছেন ১২টি।
ইত্তেফাক/জেডএইচ