যখন চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতা নয় বরং অভিনেতার প্রয়োজনের চরিত্র নির্মাণের ধূম পড়ে গেছে; তখনও একদল তরুণ চরিত্রের প্রয়োজনেই নিজেকে গড়ে তুলতে ব্যস্ত। কল্পকাহিনীর চরিত্রে হয়ে উঠতে চান বাস্তব মানুষ। সেই দলের অগ্রগামী একজন আলমগীর হোসেন। খুব বেশি দীর্ঘ নয় তার ক্যারিয়ার। কিন্তু ইতোমধ্যেই সুযোগ হয়েছে দেশের জনপ্রিয় নির্মাতাদের বানানো নাটকে ব্যতিক্রমী কিছু চরিত্রে অভিনয় করার। সেখানে বেশ দারুণভাবেই উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তরুণ প্রতিভাবান এই অভিনেতা। অতীতের প্রচেষ্টা ও ভবিষতের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বললেন ইত্তেফাক অনলাইনের সঙ্গে।
IMG0
* অভিনয়ের শুরুটা কবে কখন?
আলমগীর হোসেন: অভিনয়ের হাতেখড়ি থিয়েটারে। সেন্টার ফর বাংলাদেশ থিয়েটারে ২০১০ সাথে পথচলা শুরু করি। বর্তমানে পুবের থিয়েটারে আছি। থিয়েটার আমার শেকড়। এখানে না আসলে পূর্ণতা মেলে না কোনো কাজেই।
* সম্প্রতি আপনি টেলিভিশনের নিয়মিত মুখ। নিশ্চয় অনেক ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে?
আলমগীর হোসেন: গত দুই/তিন বছরে অনেকগুলো নাটকে কাজ করা হয়েছে। এরমধ্যে একক নাটক বাদাবন, হামিদার শোধ, খোঁজ, যখন সব কিছু থেমে যায়, আঙুরবালা, ক্ষ্যাপা বাসু, কালোপদ্ম, বিষচোখ, বিদেশ বাবু ইত্যাদি । এছাড়াও ধারাবাহিকের মধ্যে আছে, তুমি আছো তাই, যখন কখনো, লোটাকম্বল ও উত্সব ইত্যাদি। শিগগিরই ‘বিবাহ হবে’ নামে নতুন একটি ধারাবাহিকে কাজ শুরু করবো।
IMG1
এই সময়ে আপনার প্রিয় নাট্য নির্মাতা কারা? কাদের সঙ্গে কাজ করে সাচ্ছন্দ্রবোধ করেন?
আলমগীর হোসেন: প্রিয় নাট্য নির্মাতা অনেকেই আছেন। এরমধ্যে এখনো অনেকের সাথে কাজই করা হয়নি কিন্তু প্রিয় নির্মাতা। তবে যাদের সাথে কাজ করেছি তারা হলেন— সুমন আনোয়ার, রহমতুল্লাহ তুহিন, গোলাম মুক্তাদির শান, আহসানুল হাসান, উজ্জ্বল মাহমুদ, মিজানুর রহমান আরিয়ান ও রাহাত মাহমুদ উল্লেখযোগ্য। আর গিয়াস উদ্দিন সেলিম, সালাউদ্দিন লাভলু, কায়ছার মাহমুদ, রুলিন রহমান, সৈয়দ শাকিল, অরণ্য আনোয়ার, সাগর জাহান ও সকাল আহমেদের সাথে কাজ করার খুব ইচ্ছে আছে। আশা করি একদিন এই চাওয়া পূরণ হবে।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধলিকুড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া আলমগীর পড়ালেখা করছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে। এ সময় চাকরির উদ্দেশে লেখাপড়া করলেও বর্তমানে স্বপ্ন দেখেন অভিনেতা হিসেবেই ক্যারিয়ার গড়ার। স্বপ্নকে হাতের মুঠোয় আনতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই উদীয়মান অভিনেতা।
ইত্তেফাক/এএম