বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তফসিলের আগে সংসদ ভেঙ্গে দেয়া, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ তাদের ৭ দফা দাবি পুরণের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ কাটাছেড়া করে নিজের ইচ্ছে মত যে সংবিধান তৈরি করেছে, সেটা জনগণের কাছে মোটেও গ্রহণযোগ্য না। আর এই সংবিধানের দোহাই দিয়েই তারা নির্বাচনের কথা বলছে। এই নির্বাচনে যাওয়া মোটেও সম্ভব নয়।
শুক্রবার যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করীম বাদরুসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ফখরুল বলেন, সরকার ২০১৪ সালের মতোই একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসতে চায়। আর এই কাজে সহযোগিতা করছে নির্বাচন কমিশন। এই কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। সুতরাং তাদের অধীনে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
মির্জা ফখরুল বলেন, সংস্কারপন্থী নেতারা আবার বিএনপির সঙ্গে একত্র হয়ে কাজ করতে চায়। এই ইচ্ছা তারা প্রকাশ করেছেন এবং দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকেই আমাদের দরকার আছে তাই তাদের দলে নেয়া।
বর্তমান সরকার দেশে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছে অভিযোগ করে কঠোর আন্দোলনেরও হুমকি দেন বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে শুধু বিএনপির নেতৃবৃন্দ নয় যারাই এদেশে গণতন্ত্রের কথা বলছে তাদেরকেই কারাগারে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে। এখন দেশে একটা পুরোপুরি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এখন তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে একটা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যেটার লক্ষেই তারা চলেছে। কিন্তু এদেশের জনগণ কখনই এটা মেনে নেবে না এবং তাদের এই গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে তারা কঠোর আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করবে।
ইত্তেফাক/ইউবি