জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। শূন্য রানে জার্ভিসের বলে লিটন দাস আউট হলে শুরুতেই হোঁচট খায় স্বাগতিকরা। তবে ওয়ানডাউনে নামা সৌম্য সরকারকে নিয়ে সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। এখন জিম্বাবুয়ের বোলারদের শাসন করছেন সৌম্য-ইমরুল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৫ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ এক উইকেটে ১৭৩ রান।
টানা তৃতীয় ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছেন ইমরুল। তিনি খেলছেন ৮৫ রান নিয়ে। অপরদিকে ৭৬ রান নিয়ে অপরপ্রান্তে রয়েছেন সৌম্য সরকার।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার দুপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান করে সফরকারীরা। ১৪৩ বল থেকে ১০টি চার ও একটি ছক্কার মারে ক্যারিয়ার সেরা ১২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
ধবলধোলাই থেকে বাঁচার মিশনে সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমে মাত্র ৬ রানে দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার কেপাস জুয়াও ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও আবু হায়দার রনি। এরপর জুটি বাঁধা ব্রেন্ডন টেলর ও শিন উইলিয়ামস। এ দু’জনই ভোগাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। টেলরকে আউট করে ১৩২ রানের জুটি ভেঙেছিলেন অপু। আউট হওয়ার আগে ৭২ বল থেকে ৮টি চার ও তিনটি ছক্কার মারে টেলর করেন ৭৫ রান।
এতেও থামছিল না জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ঝড়। সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে একই গতিতে এগোতে থাকেন উইলিয়ামস। তবে ৪৩তম ওভারে এসে রাজাকে ফেরান সেই অপু। ৯০ রানের জুটি ভেঙে আউট হওয়ার আগে রাজা করেছেন ৪০ রান। আর ১২৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। পিটার মুর শেষ দিকে ২১ বলে দুই ছক্কায় ২৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলে শেষ ওভারে রান আউট হয়ে যান। শেষ দুই ওভারে আবু হায়দার রনি ও সাইফ উদ্দিনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে তিনশ এর নীচেই বেঁধে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। এই ম্যাচ জিতলেই জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হবে মাশরাফি বাহিনী।
ইত্তেফাক/কেআই