আঙুলের চোট সেরে উঠছে ধীরে ধীরে। আগামী সপ্তাহেই স্ট্রেন্থ ট্রেনিং শুরু করার আশা করছেন সাকিব আল হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়েই মাঠে ফেরার সম্ভাবনা জেগেছে। এর মাঝেই আরেকটি সুখবর পেয়েছেন সাকিব। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইউএই টি২০এক্স লিগ খেলার ছাড়পত্র পেতে যাচ্ছেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যদিও শুরুতে সাকিবের অনুমতি চাওয়াকে ভালো নেয়নি বিসিবি।
মঙ্গলবার বিসিবি পরিচালক আকরাম খান বলেছিলেন, এই টুর্নামেন্ট খেলতে অনুমতি দেওয়া হবে সাকিবকে। আর ছাড়পত্র পাওয়ার খবরে স্বস্তি ফিরেছে বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের মনে।
মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনের হ্যান্ডসেট কোম্পানি হুয়াওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ছাড়পত্র বিষয়ে সাকিব বলেছেন, ‘অবশ্যই স্বস্তির। ভাল দিক হচ্ছে যদি ওই সময়ের আগে আগে ফিট হতে পারি, যদি কিছু ম্যাচ খেলতে পারি, ওই ম্যাচগুলোও যদি খেলতে পারি, তাহলে ভাল প্রস্তুতি হবে। প্রস্তুতি এই দিক থেকে, যেহেতু খুব বড় একটা ইনজুরি থেকে এখন সেরে উঠার পথে, তো এই খেলাগুলো আমার দরকার। না খেলার কারণে আমার বেশ বড় একটা বিরতি হয়ে যাচ্ছে। পুরো ছন্দে আসার জন্য আমার এই খেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের ক্রেতাদের মাঝে ‘প্লে উইদ সাকিব’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা এদিন সাকিবের সঙ্গে দেখা করা ও ফুটবল খেলার সুযোগ পেয়েছেন।
নির্দিষ্ট সময় না দিলেও সাকিব আশাবাদী দ্রুতই মাঠে ফিরতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে কোনো ঝুঁকি নেওয়া হবে না। ফিজিও’র ক্লিয়ারেন্স পেলেই অনুশীলন শুরু করবেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজেই ফেরা সম্পর্কে বাঁহাতি এই ক্রিকেটার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ফিজিওর সঙ্গে আলোচনা করেছি যে আমরা কোন নির্দিষ্ট সময় রাখব না। যখনই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব, ট্রেনিং শুরু করব হয়তো কিছুদিন পর থেকেই। আগামী সপ্তাহ থেকে স্ট্রেন্থ ট্রেনিং শুরু করতে হবে। এরপর যখন উন্নতি হতে থাকবে, ধারাবাহিকভাবে একটার পর একটা, যখন দেখব যে সব দিক থেকেই খেলার ক্ষেত্রে আমার কোন সমস্যা হচ্ছে না, তখনই আসলে খেলার কথা চিন্তা করব। তার আগ পর্যন্ত আমিও খেলতে চাইব না, সেও আমাকে দিবে না। এই কারণে আসলে আমরা কেউই নির্দিষ্ট সময় বলতে পারছি না।’
তবে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যেতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘এমনও হতে পারে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্ট থেকে খেলতে পারি, দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারি। হতে পারে ওয়ানডে পর্যন্তও না খেলতে পারি। কিন্তু আমি আবারো বলছি, উন্নতি যেভাবে হচ্ছে সেই অনুযায়ী খুব বেশি সময় লাগার কথা না।’
ইত্তেফাক/জেডএইচ